avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

রাজনীতির চেনা চেহারা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৮ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৬ এএম, ১৫ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

দেশে হচ্ছেটা কি? রাজনীতি গণতন্ত্র রাষ্ট্রতন্ত্র সবই তো দেখছি। এসব নিয়ে এখন এক নতুন ভেল্কিবজি শুরু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এই ভেল্কিবাজির উল্টাপাল্টা অর্থাৎ চিৎ কাতের ব্যবহার বেশ ভালভাবেই প্রদর্শিত হচ্ছে এই ভারত উপমহাদেশের দেশ সমূহে। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সময়ের গণতান্ত্রিক চর্চার মডেলেই কি তাহলে আমদের গণতন্ত্রের জয়যাত্রা শুরু হোল! কিন্তু আমরা তো স্বাধীন স্বত্বার বাঙালী জাতি। অবশ্য বাঙালী বলাটাও এখন পাপের পর্যায়ে চলে এসেছে। কারন আমাদের স্বাধীনতার মহান ঘোষক আমাদেরকে বাংলাদেশী বানিয়ে যে মহৎ কাজটি করে দিয়ে গেছেন তা তো রীতিমত একটি শ্রেণীর কাছে জাতীয়তাবাদ ও বোধের সঙ্গে বিরাট সাংঘর্ষিক বলেই মনে হয়। তবে কলেজ স্ট্রীটের বাঙালীবাবু সংস্কৃতির তথাকথিত মাস্টার মাইন্ড মুরুব্বীদের আশীর্বাদ নিয়ে এদেশে যারা শিক্ষা সংস্কৃতি ও রাজনীতি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেন বা এখনো প্রবল উদ্যমে করে যাচ্ছেন,  বাংলার সাধারন আমজনতা তাদেরকে ঠিক ঐ পাকিস্তান প্রেমী জামাতীদের মতই মনে করেন। একদল গেরুয়া সন্নাসীর ভক্ত অন্যরা আচকান জোব্বার হুজুরী লেবাসের ধারক। সাতচল্লিশের পট পরিবর্তনের পরও ঐ বাবু বাঙালীরা কোন মতলবে এখনো নিজেদেরকে বাঙালী বলে চিক্কুর মারে তা অন্তর্যামীই জানেন। সীমানার বাইরে তারা হিন্দি ও ইংরেজী বয়ানে ইন্ডিয়ান ছাড়া তো অন্য কিছু নন। আজকের বাস্তবতায় তারা কি অক্সফোর্ড চত্তরে চিল্লাইয়া বলতে সাহস করবেন যে তারা বাঙালী। অবশ্যই ভারতীয় বলে তাদেরকে সেখানে পা ফেলতে হবে কিংবা নিউইয়ার্কের ম্যান হাটনে তারা কি বাঙালী বলে চিৎকার করে গগন বিদীর্ণ করতে পারবেন। সেখানেও তাকে পকেট থেকে পাসপোর্টটা বার করে সিকিউরিটির কাছে জমা দিয়ে বলতে হবে তিনি ইন্ডিয়ান। 


এসবের জটিলতা পেরিয়েও সারা ভারত উপমহাদেশ জুড়ে রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চা এখন এক কমন রোগে আক্রান্ত বলে মনে করার কিছু কারন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। কথিত ভেকধারী রাজনীতির অবজেক্টগুলি সত্যিই এক আশ্চর্য মিল রেখেই তাদের ক্ষমতারোহনে সেসব নিয়ে রাজনীতি করার রসদ খোঁজার চেষ্টা করছে বলেই মনে হয়। ইদানিং সময়ে রাজনীতি, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র ক্ষমতার চর্চা পাশা খেলার চিৎ কাতের পর্যায়ে পড়ে খাবি খাচ্ছে বলেই মনে হয়। অর্থাৎ ছল চাতুরী কৌশল এবং অবশেষে তার এডাপ্টেশন(adaptation)এর মাধ্যমে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করে ধরে রাখার কৌশল। ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির চর্চায় বেড়ে উঠেছি। ফলে সেই স্কুল পড়ুয়া সেভেন এইট থেকেই ভোট, ভোটের ক্যাম্পেইন, পোস্টার লাগানো, মিছলে জয় জিন্দাবাদ বলার অভ্যেসটা ভালভাবেই রপ্ত করেছিলাম। আবার ভোট শেষে গণনা কক্ষে উৎসাহ নিয়ে ভোট গণনার সেসব উৎসাহ উদ্দীপনা এখনো স্মৃতিপটে চিকচিক করে বৈকি। তবে সেসবের অভিজ্ঞতায় ব্যালট ছিনতায়, ভোটের ওভারল্যাপিং কিংবা ভোট ও ভোট গণনাকে কলুষিত করার দৃশ্যগুলি খুব একটা শুনেছি বা দেখেছি বলে মনে পড়েনা। ভোট নিয়ে দাঙ্গা ফ্যাসাদ খুনাখুনির গল্প আমাদের ছোটকালেও সম্ভবতঃ ছিল। তবে সেটা সামগ্রিকতায় ১%ও হবে কিনা সন্দেহ ছিল। ভোট কারচুপি, ইলেকশান ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি কথা এবং  ঘটনাগুলি প্রকাশ্য হোল গত শতাব্দীর সাতের দশকের পর। তারপর থেকে সেই যে  রাজনীতি ও গণতন্ত্রের উল্টোপুরান লেখা শুরু হোল তা প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, সময়ের বহমানতায় গণতন্ত্রের রাজনীতি এখন ব্যক্তি শাসনের মাকাল ফল ছাড়া কিছুই নয়। মাকাল ফুল ও ফলের দৃশ্যমানতায় সেখানে যেমন কাক শালিকের কা কা এবং ক্ষুধার্ত ছোটবড় পক্ষীকুলের কিচির মিচির শব্দে পরিপাশ মুখরিত থাকে, আজকের পরম্পরা রাজনীতির নেতৃত্ব বিকাশ পরবর্তী রাজনীতি তার থেকে বেশী কিছু পার্থক্য নির্দেশ করে কি!   


এক সময় রাজনীতি ছিল অপেশাদার জীবনে সমাজবদ্ধ কতিপয় শিক্ষিত ও সচেতন মানুষের সম্মিলনে যুথবদ্ধ হয়ে একটি আদর্শকে ধারন করে তা সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রযোগ করা। এই জনপদের মানুষ তাদের সামাজিক ভারসাম্য ও অর্থনীতির ভালমন্দ নিয়ে চিন্তা করে তৃণমূল পর্যায় হতেই যুথবদ্ধ হয়ে সমাজ কাঠামোর ভারসাম্যহীনতা দূরীকরনে নিজেদের মত করে  ভেবেছে। অবশেষে রাষ্ট্রকাঠামোর ভিতরে থেকে তারা আদর্শগত রাজনীতির কাঠামোয় নিজেদের ভাগ্য নির্মানের সঠিক পথটি বেছে নিয়েছে। অপেশাদারিত্বে ভরা সেসব জন সচেতনতার কর্মচাঞ্চল্যে একটা তৃপ্তির সুবাতাস ছিল। গণতন্ত্রের চর্চায় ভোট নামক ফাইনাল পরীক্ষা শেষে সেসব পক্ষ বিপক্ষের স্রোত সমূহ নিজেদের চারিত্রিক নৈতিকতায় পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতায় একটি সুন্দর সুষ্ঠ সমাপনীর কুশল ও কোলাকুলিতে সমাজে শান্তি ও সৌহার্দের সুবাতাস বইয়ে দিত। সত্যিকার অর্থেই এসবের দৃশ্যপট একটা আদর্শিক সামাজিক ভ্যালু তৈরী করতো। রাজনীতির এহেন আদর্শগত প্রতিফলনে দেশের ভবিষ্যত নাগরিক হিসাবে বেড়ে উঠা কিশোর যুবারা নিজেদেরকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের ভবিষ্যত অংশীজন হিসাবে তৈরী করার উৎসাহে উদ্বুদ্ধ হোত। সুষ্ঠ রাজনীতির গতিধারায় গণতান্ত্রিক শাসনচক্রে সমন্বয়ের সুষ্ঠতায় তারা ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে উঠার প্রতিশ্রুতিতে সংকল্পবদ্ধ হোত। 


রাজনীতির এহেন চেনা চেহারায় বেড়ে উঠে যৌবনে পা ফেলার সময়কালে দেখলাম সবকিছু যেন নতুন করে লেখা শুরু হোল। রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চায় দূর্বৃত্যায়নের প্রবেশ ঘটলো। আস্তেধীরে রাজনীতিতে মাসলম্যান দাদাগিরির সমাগমে তা প্রকৃত অর্থেই সাধারন মানুষের কাছে ভাল কিছু আশার বাণী নিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরী করতে পারলো না। সুযোগের মওকায় পেশী শক্তির সমাগম ও তাদের আধিক্যের রাজনীতি এখন কতিপয় বংশ পরম্পরার শিখন্ডীদের সামনে রেখে একটি পেশাজীবি সংগঠনে রূপ নিয়েছে। এখানে সাধারন জনগনের জন্য সেই বহুল প্রচলিত ‘'ডুবন্ত মানুষের খড়কুটো ধরে বেঁচে থাকা’'র আহাজারি ছাড়া কিছু আছে বলে মনে হয়না। এই ‘খড়কুটো’ হচ্ছে আমাদের পুর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া ‘দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের ঝলক’। এখানে এটা বললেও অত্যুক্তি হবে না যে ঐসমস্ত প্রবাদ প্রতীম পুর্ব পুরুষদের নেতৃত্বের ঝলক আমাদেরকে বাঙালী বা বাংলাদেশী হয়ে এগিয়ে চলার সঠিক পথ দেখাতে পেরেছেন কিনা তাতেও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ফলশ্রুতিতে আমরা স্বাধীনতার এত বছর পরেও এখনো পর্যন্ত খন্ডিত চেহারায় নিজেদের মুখ দেখছি। জানিনা এই দ্বিখন্ডিত অবয়বে আমরা আর কতদিন নিজেদের বাংলাদেশী অস্তিত্বের অস্মিতায় স্বাচ্ছন্দ বিচরনে সার্বভৌম থাকবো? এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আমাদের রাজনীতি ও তার চরিত্রগুলো প্রস্তুত আছে তো!  


এ প্রসঙ্গে রাজনীতির চেনা চেহারার নতুন উপসর্গগুলি নিয়ে দু'একটি কথা বলা একান্ত জরুরী বলে মনে করি। সম্ভবতঃ এসব শুধুমাত্র এই ভারতীয় উপমহাদেশেই সম্ভব বলে মনে করা হয়। কারন তারা তাদের আত্মশুদ্ধির সোপান হিসাবে ধর্মকে মানুক বা না মানুক, ধর্ম নিয়ে হৈ হুল্লোড় এবং নিজেদের ধর্ম মাহাত্বের জয়গানে বিপক্ষীয় ধর্মের মানুষদের প্রতি ঘৃণা বিদ্বেষ দাঙ্গা ফ্যাসাদ সৃষ্টির মাধ্যমে ধ্বংস হত্যা ইত্যাদি করতে কসুর করেন না। এসব কিন্তু হয় স্রেফ রাজনীতি সম্পৃক্ততার সুবিধাভোগে। এসবের ব্যাখ্যা করতে গেলে দেখা যায় রাজনীতির পেশাজীবি মানুষগুলো নিজেদেরকে ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের পরম পুজক সেজে জনতার সামনে এসে তাদেরকে ধর্মীয় উন্মাদনায় ক্ষেপিয়ে তুলেন। তাদেরই গোত্রীয় আর একটি রাজনীতির মানুষ নিজেদের ধর্মীয় গোঁড়ামীকে আপতকালীন (শুধুমাত্র ভোট পাওয়ার অভিপ্রায়ে) ধর্ম নিরপেক্ষতার আবরনে ঢেকে রেখে সাধারন জনগনের সহামুভূতি আদায়ে পারঙ্গমতা দেখান। কিন্তু ভোট শেষে নিজেদের বিজয়োল্লাসকে ধর্মের আবরনে সেলিব্রেট করে ধন্য হন। তৃতীয় কারনটি যখন ক্ষমতা অপব্যবহারের দিকে মোড় নেয় তখন রাজনীতির মামুষগুলিকে স্বৈরাচারী বা Dictatorship আচরনে রাষ্ট্রযন্ত্রের সমস্ত মেকানিজমে থাবা বসিয়ে ক্ষমতা প্রাপ্তির রাস্তাটির সরলীকরন করতে হয়। আমি তুমি ডামি, নিশিরাতের ভোট,এমনকি হুমকি ধামকি এবং উপচে পড়া সুযোগ সুবিধায় রেখে সরকারী যন্ত্রকে হুকুমের দাস বানিয়ে ক্ষমতা প্রাপ্তির রাস্তাটি আপন করে সাজাতে হয়। 


এর মধ্যেও সাধারন মানুষেরা তাদের ভালবাসা নিয়ে, আবেগ উচ্ছাস নিয়ে এবং এক বুক আশা নিয়ে সামনের দিনগুলিকে রাঙাতে চান। কিন্তু ইদানীংকার রাজনৈতিক চরিত্র যখন আকাশচুম্বী স্নেহ ভালবাসা নিয়ে উচ্চাসনে বসেন তখন কেন যেন সব পানসে ফানুস হয়ে যায়। হাজারো প্রতিশ্রুতি ও দফার ফুলঝুরি থাকলেও ক্ষমতারোহনের পর জনপদেকে আশা নিরাশার দোলাচালে রেখে শীর্ষ বিন্দু এক সময় জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এক সময় তিনি জনতার সামনে আসতেও ভয় পান। ফলে তাকে বা তার বহরকে উচ্চকিত করে ধরে রাখার জন্য সৃষ্টি হয় ভিন্নধর্মী সব প্রবাহ। মিডিয়ার লাগাতার ঢোল করতাল বাজানো  আর ক্ষমতায় বসে থাকা একঝাঁক অতি আঁতেলীয় মোসাহেবীর দল তাদের বাক্য বিন্যাসের তোড়ে দেশে উন্নয়নের নহর বহানোর কাজটি সুচতুরভাবে সম্পন্ন করে যান। অপরদিকে জুড়ে থাকা সমারোহের ঐসব সুবিধা অন্বেষী অখাদ্য কুখাদ্যের মাসলম্যান সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অমুকের সৈনিক তমুকের সেনা সেজে দেশব্যাপী লুটপাট, দখলদারিত্ব ও দাদাগিরির মাৎসন্যায় চালাতে থাকে। বিগত বার বছর ধরে পার্শ্ববর্তী দেশ এভাবেই চলছে এবং সরকার প্রধান সেক্ষেত্রে আমজনতার কাছে নিরাকার এবং নির্বিকার হয়েই দাপটের সঙ্গে শুধুমাত্র ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়ে দেশ চালাচ্ছেন। এক্ষেত্রে তার কোন জবাবদিহিতা নেই। পাশে রেখেছেন স্বরাষ্ট্র নামক এক মাড়োয়ারীকে। তিনিই সব সামলাচ্ছেন। আমাদের সদ্য অভ্যুত্থান পরবর্তী  নির্বাচিত সরকার প্রধান কি সে পথেই হাঁটছেন কিনা তা সময়ই বলে দেবে। তবে লক্ষ্মণ তো সেরকমই মনে হচ্ছে। আমাদের জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রীর পাশে মাড়োয়ারী নামধারী কোন স্বরাষ্ট্র সাহেব না থাকলেও তিনি যে একজন মাড়োয়ারী পোষ্য এবং বহুল শ্রুত “শিলং….”কে পাশে রেখে তার তখ্‌তে তাউজের ভিত্তি প্রস্তরের শিলান্যাসে ধ্যানমগ্ন রয়েছেন - এটা কিন্তু জনশ্রুতি ও দৃষ্টিগ্রাহ্যে রূপ নিচ্ছে বলে মনে করার যথেষ্ট কারন রয়েছে। 

বিষয়:
avertisements 2
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে ‘শিকার’হিসেবে ব্যবহার প্রথম দিনই নিহত ১৭ বাংলাদেশি
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে ‘শিকার’হিসেবে ব্যবহার প্রথম দিনই নিহত ১৭ বাংলাদেশি
মৌসুমী-ওমর সানীর পরিবার নিয়ে অপপ্রচার, ছেলের আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি 
মৌসুমী-ওমর সানীর পরিবার নিয়ে অপপ্রচার, ছেলের আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি 
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯ হাজার যাত্রী
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৯ হাজার যাত্রী
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস
হুতিদের হামলার জবাব দেয়ার পথ খুঁজছে সৌদি আরব, কৌশল কী হবে
হুতিদের হামলার জবাব দেয়ার পথ খুঁজছে সৌদি আরব, কৌশল কী হবে
হচ্ছেটা কি!
হচ্ছেটা কি!
সমুদ্র সৈকতে ৫০ ফিট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক ‘দানব’
সমুদ্র সৈকতে ৫০ ফিট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক ‘দানব’
অস্ট্রেলিয়ায় জনসমর্থন কমল পলিন হ্যানসনের ওয়ান নেশন পার্টির
অস্ট্রেলিয়ায় জনসমর্থন কমল পলিন হ্যানসনের ওয়ান নেশন পার্টির
সরকার ভারতের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে, লড়াই চলবে:ককরোচ জনতা পার্টি
সরকার ভারতের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে, লড়াই চলবে:ককরোচ জনতা পার্টি
শিক্ষার্থী তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজু কক্সবাজার থেকে আটক
শিক্ষার্থী তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজু কক্সবাজার থেকে আটক
জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ১
জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ১
মাঝ আকাশে বিমানে আগুন, ব্যাগ দিয়ে নেভানোর চেষ্টা যাত্রীদের
মাঝ আকাশে বিমানে আগুন, ব্যাগ দিয়ে নেভানোর চেষ্টা যাত্রীদের
সিডনির পথে এক গাড়িতে শাবনূর-রবি চৌধুরী, বন্ধুর সঙ্গে গাইলেন গান
সিডনির পথে এক গাড়িতে শাবনূর-রবি চৌধুরী, বন্ধুর সঙ্গে গাইলেন গান
যেভাবে কুমিল্লায় হত্যার শিকার হন স্কুলছাত্রী তাজমিন, তদন্তে রহস্য উদঘাটন 
যেভাবে কুমিল্লায় হত্যার শিকার হন স্কুলছাত্রী তাজমিন, তদন্তে রহস্য উদঘাটন 
সুন্দরবন ঘেঁষে তৈরি ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ
সুন্দরবন ঘেঁষে তৈরি ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2